দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনটা হতাশায় কাটিয়েছে টাইগার বাহিনী

  |  Sunday, January 9th, 2022 |  1:00 pm

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনটা হতাশায় কাটিয়েছে টাইগার বাহিনী। এক উইকেট হারালেও স্কোর বোর্ডে ৩৪৯ রান তুলেছে কিউই শিবির। স্বাগতিকদের হয়ে সেঞ্চুরি করেছেন টম লাথাম। সেঞ্চুরি থেকে এক রান দূরে রয়েছেন ডেভন কনওয়ে।

টাইগার পেসারদের ওপর রীতিমতো ঝড় তুলেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা। টম লাথাম প্রথম দিন শেষে দ্বিশতকের অপেক্ষায় রয়েছেন। ২৭৮ বলে ২৮ চারে তিনি করেছেন ১৮৬ রান। সেঞ্চুরি পূর্ণ করার অপেক্ষায় দিন শেষ করেছেন কনওয়ে, শেষ পর্যন্ত স্কোর বোর্ডে তিনি যোগ করেছেন ৯৯ রান।

বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি খরুচে ছিলেন প্রথম টেস্টের নায়ক এবাদত হোসেন। ২১ ওভারে ৫.৪০ ইকোনমিতে তিনি দিয়েছেন ১১৪ রান।

ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারনী টেস্টে, টম ল্যাথামের সেঞ্চুরিতে শক্ত অবস্থানে নিউজিল্যান্ড। এখন পর্যন্ত কিউইদের সংগ্রহ ১ উইকেটে ২৭২ রান। ১৬০ রানে ব্যাট করছেন টম ল্যাথাম। অন্যপ্রান্তে ৫৩ রানে আছেন ডেভন কনওয়ে।

পেস সহায়ক উইকেটে বোলিংয়ের শুরুতে, সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তাসকিন-শরিফুল। নবম ওভারে এসেই কিউই শিবিরে কাঁপন ধরায় মঙ্গানুই টেস্টে জয়ের নায়ক এবাদত।

নিজের প্রথম ওভারে ল্যাথামকে পরপর দুইবার এলবি/ডব্লিউ’র ফাঁদে ফেলেন এবাদত। কিন্তু রিভিউ নিয়ে বেঁচে যায় কিউই ক্যাপ্টেন। ৫৪ রানে উইল ইয়ংকে ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য এনে দেন শরিফুল। তবে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ল্যাথাম।
কুঁচকির চোটে পড়ায়, টাইগারদের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিক চলতি টেস্টে নেই। তার জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন সোহান।

আর জয়ের বদলে খেলছেন নাইম। বাংলাদেশের ১০০তম টেস্ট ক্যাপ পেলেন এই ওপেনার। প্রায় ১৬ বছর পর, পঞ্চপান্ডবের কাউকে ছাড়া টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ।

শরিফুলের বাউন্সার ঠিকমতো খেলতে পারেননি লাথাম। যে কারণে বল ব্যাটে লেগে অনেকটা উপরে উঠে যায়। বাংলাদেশি ফিল্ডাররা দৌড়ে গিয়েও তার নাগাল পায়নি।

কিউই শিবিরে প্রথম আঘাত হেনেছেন সেই শরিফুলই। কিউই ওপেনার উইল ইয়ংকে শিকারে পরিণত করেন তিনি। ইয়ং আউট হয়েছেন ৫৪ রান করে। ১১৪ বলে তার ইনিংসে ছিল ৫টি চারের মার।

টাইগারদের বিপক্ষে বিনা উইকেটে প্রায় দেড়শ ছুঁই ছুঁই স্কোর করে কিউই শিবির। প্রথম উইকেট হারানোর আগে নিউজিল্যান্ড করে ১৪৮ রান। এক উইকেট পেলেও প্রথম সেশনে বাংলাদেশের বোলারদের ছিল না তেমন কোনো ভয় ধরানো স্পেল।